বাংলাদেশে উচ্চমানের, টেকসই এবং দীর্ঘমেয়াদি মূল্যবোধসম্পন্ন সোলার শক্তি ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন জোর দেখা যাচ্ছে। জমি সংকট, জলবায়ু ঝুঁকি এবং গ্রিডের সীমাবদ্ধতা মোকাবিলার পাশাপাশি মানসম্মত প্রযুক্তি ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করাকে ভবিষ্যতের সোলার খাতের প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছেন নীতিনির্ধারকরা।

রাজধানীতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আয়োজিত সোলার সমাধান বিষয়ক অনুষ্ঠানে জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফওজুল কবির খান এবং ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে একটি বিস্তৃত ইইউ স্টাডি উপস্থাপন করা হয়, যেখানে বাংলাদেশের বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে ইউরোপীয় ও বৈশ্বিক সেরা অনুশীলনকে যুক্ত করা হয়েছে। স্টাডিটিতে উন্নত প্রযুক্তি, উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক মডেল, অঞ্চলে কার্যক্রম পরিচালনাকারী ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর মানচিত্র, এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সোলার প্রকল্পের প্রকৌশল, প্রোকিউরমেন্ট ও নির্মাণসংক্রান্ত নির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়।
ইইউ প্রতিনিধি দল জানায়, বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে আরও বিনিয়োগ, সহযোগিতা এবং যৌথ কার্যক্রমের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। বক্তারা বলেন, উচ্চমান বজায় রেখে জলবায়ুবান্ধব ও শক্তিশালী সোলার প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারলে বাংলাদেশ শুধু বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবিলা করবে না, বরং জ্বালানি নিরাপত্তা ও সবুজ প্রবৃদ্ধির পথও সুদৃঢ় করতে পারবে।




