ডেস্ক রিপোর্টঃ
ঢাকাস্থ মিয়ানমার দূতাবাস আয়োজিত মিয়ানমার সশস্ত্র বাহিনী দিবসের ৮১তম বার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে মিয়ানমার দূতাবাস এর আমন্ত্রণে অংশগ্রহণ করেছেন প্রবাসে বাংলার মুখ-এর সম্পাদক প্রকৌঃ মোহাম্মদ সজীবুল-আল-রাজীব।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তিনি মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত ও মিয়ানমার দূতাবাসের মিলিটারি, নৌ ও বিমান অ্যাটাশে এর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আমন্ত্রণ জানানোর জন্য মিয়ানমার দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় আরও বেগবান হবে। পাশাপাশি তিনি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে গণমাধ্যমের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সম্পর্ক ইতিহাস, ভৌগোলিক অবস্থান ও সাংস্কৃতিক নৈকট্যের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে উভয় দেশ একসাথে কাজ করে যাচ্ছে।”

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মিয়ানমারের মিলিটারি, নৌ ও বিমান অ্যাটাশে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাও মান ফিও। তিনি উপস্থিত অতিথিদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ২৭ মার্চ উদযাপিত এই দিবসটি মিয়ানমারের স্বাধীনতা, দেশপ্রেম ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতীক। তিনি বলেন, তাতমাদাও (মিয়ানমার সশস্ত্র বাহিনী) দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সম্পর্ক প্রসঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ কিয়াও সোয়ে মোয়ে বলেন, “১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই মিয়ানমার একটি প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে আসছে। দুই দেশের মধ্যে প্রায় ১৬৮ মাইল স্থল ও সামুদ্রিক সীমান্ত রয়েছে এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে বিভিন্ন ইস্যু সমাধানে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

এছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।




