ডেস্ক রিপোর্টঃ
সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়ান স্পেলিং বি চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের সুযোগ অর্জন করেছে ঢাকার Emerald International School। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটি চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা, রানার-আপ স্থানসহ একাধিক সাফল্য অর্জন করে আন্তর্জাতিক পর্বে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করে।

শনিবার (২৩ মে ২০২৬) অনুষ্ঠিত এশিয়ান স্পেলিং বি প্রতিযোগিতাটি যৌথভাবে আয়োজন করে এডুপ্রো কনসেপ্টস বাংলাদেশ লিমিটেড এবং Spelling Bee of China (SPBCN)। এই আয়োজনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে সেরা শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং যুক্তরাজ্যের মতো বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচন করা হয়।
প্রতিযোগিতায় তৃতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণির মোট ২০ জন শিক্ষার্থী এমেরাল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রতিনিধিত্ব করে। গ্রেড ৩ থেকে ৯ পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে। গ্রেড ৩-৫ এবং গ্রেড ৬-৯ ক্যাটাগরিতে দুইজন করে শিক্ষার্থী বিজয়ী ও ফাইনালিস্ট হিসেবে উঠে আসে।


শাহনান সাবিত নিরঝর (গ্রেড ৫) পুরো প্রতিযোগিতাজুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়নশিপ অর্জন করে। একই সঙ্গে ইউসুফ মোঃ শফিক (গ্রেড ৩) রানার-আপ স্থান লাভ করে। অন্যদিকে আমর ঈসা বিন মোহাম্মদ (গ্রেড ৭) এবং আনাবিয়া শাহরিশ রাফাহ (গ্রেড ৬) টাই-ব্রেকার পর্বে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর রানার-আপ ফাইনালিস্ট হিসেবে প্রতিযোগিতা শেষ করে।

প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা এম এম রনক বলেন, শিক্ষার্থীদের ভাষা দক্ষতা উন্নয়নে তাদের ধারাবাহিক প্রচেষ্টাই এই সাফল্যের মূল ভিত্তি। তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীরা যখন প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়, তখন থেকেই আমরা তাদের ভাষার উপর মনোযোগী করি এবং সেই আগ্রহ ধরে রাখার চেষ্টা করি। খেলাধুলার মাধ্যমে শেখার এই প্রক্রিয়াই তাদের কৌতূহল ও আত্মপ্রকাশের দক্ষতা বাড়ায়।”
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি গ্রেড অনুযায়ী শিক্ষাক্রমকে আকর্ষণীয় ও কার্যকরভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা ইন্টারঅ্যাকটিভ ও কার্যভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যমে উন্নতি করতে পারে।
এই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় মোট ১১ জন শিক্ষার্থী সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ সালের এশিয়ান স্পেলিং বি চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার যোগ্যতা অর্জন করেছে।
শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টরা এই অর্জনকে প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক কঠোরতা, ভাষা উন্নয়নে গুরুত্ব এবং প্রতিযোগিতামূলক শিক্ষার প্রতি দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তারা মনে করেন, এই সাফল্য শিক্ষক, পরামর্শদাতা ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।




